বাংলাদেশের ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী একটা নির্যাতিত নিপীড়িত নিষ্পেষিত দল, তেমন কোনো ভুল ভ্রান্তি নাই বললেই চলে, মানবিকতা ও মনুষ্যত্বের দৃষ্টিকোণ থেকেও এরা অনন্য,
যেকোনো পরিস্থিতিতে এরা খাপ খাইয়ে চলতে পারে, তার কারণ এদের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত সুশিক্ষা এবং সুচিন্তিত ভাবনা, কোন বিষয়ে এদের মধ্যে অস্থিরতা নাই,
আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি এরা ধর্মীয় শিক্ষা এবং ধর্মীয় চর্চা পরিপক্ক একটা দল, বহু বছর ধরে নির্যাতিত হতে হতে এরা নিজেদেরকে এমন একটা নিখুঁত পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে যেখানে ভুল ভ্রান্তির পরিমাণ অনেক কম, প্রতারণা ছলচাতুরি ভান করা মুখোশ পরা ন্যায় নীতির পরিবর্তন বিষয়ে তারা একেবারেই অনর, ভেতর এবং বাহিরে দুটো মিলিয়েই তারা একই রং রুপ বিধায় মানুষ তাদের দাঁড়া প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনাও কম,
অতিতেও যে কথাটা বলে এসেছি আজও তা নতুন করে আবার বলবো, বারবার বলবো: বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য জামাতে ইসলামী নৈতিকতার সাথে যায় না, কারণ বাকি দলগুলি চোর দুর্নীতি ভন্ডামি ছলচাতুরি ইসলাম ফোবিয়া ও ইসলাম বিদ্বেষী ও নাস্তিকদের দ্বারা পরিপূর্ণ বিধায়, তাদের নৈতিকতা এবং মানসিকতা এবং সুশিক্ষায় রয়েছে বিশাল পার্থক্য, পরিপূর্ণভাবে বৈপরীত্য অন্য দলগুলির সাথে জামাতে ইসলামীর,
আমরা সবাই জানি বুঝি যে জামায়েত ইসলামি তাদের আদর্শিক উন্নত নৈতিক আদর্শ থেকে সরে আসবেনা কোন অবস্থাতেই, আর এই সুযোগটাই অন্য দলগুলি বারবার কাজে লাগায় তাদেরকে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয় ক্লান্তিবিহীন ভাবে,
জামায়াতে ইসলামিক কে ঢেলে সাজাতে হবে, তার মধ্যে প্রথমেই যে বিষয়টি প্রযোজ্য তা হলো: জামায়েত ইসলামীতে তরুণ নেতাদেরকে নিয়ে আসতে হবে বিপুলভাবে, যারা সুশিক্ষার সাথে বর্তমান আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার একটা পরিপূর্ণ এবং ব্যালেন্স ব্যবহার করতে জানে, ধর্মীয় গোড়ামী মুক্ত কিন্তু আদর্শের দিক থেকে অনড়, তাদের কথাবার্তা চালচলন আচার-আচরণ উপস্থিত বুদ্ধি মার্জিত চিন্তা ভাবনা সবকিছুই অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী, তারা জানে পরিস্থিতিকে কিভাবে ব্যালেন্স করতে হয় নতি স্বীকার না করে,
সে ক্ষেত্রে তাদের আদর্শ যেমন বিচ্যুত হয় না রাজনীতিতে তারাও ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা কম বা নেই বললেই চলে,
জামায়েত ইসলামীর অতি বিনয় অতি ধৈর্য এটা ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে চলে, একজন তাকওয়া পালনকারীর এমনই তো হওয়া উচিত,
কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট চিন্তা করলে অন্য দলগুলির সাথে দমন করতে হলে তাদেরকে আদর্শের সাথে আত্মবিশ্বাসের মাত্রা বাড়াতে হবে,
সবকিছুতে সুইট উত্তরের কোনই প্রয়োজন মনে হয় না, দুনিয়ার শক্তের ভক্ত, যারা অতি বিনয়কে দুর্বলতা ভাবে তাদের প্রতি বিনয় দেখিয়ে কি লাভ? যারা বিনয়ের মূল্য বোঝেনা, বিনয়কে ফ্রি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে, তাদের রাজনৈতিকভাবে জবাব দেওয়া আর কোন বিকল্প নাই, অত্যাচারীর অত্যাচার সহনশীল হলে যখন অত্যাচারী অত্যাচার করাটাকে অধিকার মনে করে, অত্যাচারীর অত্যাচার করার পাল্টা জবাব দিতে হয় তাহলে সে রিয়েলাইজেশন করে,
জামায়েত ইসলামীর নিজেরাই তাদেরকে আজ পর্যন্ত রাজাকারমুক্ত করতে শক্তিশালী ভাবে জবাব দিতে কেন পারেনা? যারা জামাত ইসলামীকে রাজাকার বলবে তাদের বিপক্ষে কেন আইনি লড়াই থেকে শুরু করে সকল প্রকার লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়নি এত কাল? কি প্রমাণ আছে যে প্রমাণ করা যায় জামাতে ইসলামী রাজাকার? অন্য দলগুলি রাজাকার হওয়া এবং রাজাকারদের দলীয়ভাবে আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে,
তাহলে কেন জামাত ইসলামিক কোণঠাসা করবে , আর জামাত ইসলামী নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হবে, কেন মাথা পেতে নিবে?
জনগণকে জেগে উঠতে হবে নৈতিকতার দিক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দিক থেকে শুরু করে সচেতন হতে হবে নিজেদেরও অধিকার নিয়ে, বুঝে নিতে হবে আদায় করে নিতে হবে, যে নৈতিক নয় তার অনৈতিকতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে.
জামায়াত ইসলামীর আমির ডঃ শফিকুর রহমান যে প্রজ্ঞা সাহসিকতা পরিশ্রম মেধা ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ঘটিয়ে দলকে কলঙ্কমুক্ত করে আজকের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন তার জন্য জামায়াত ইসলামী চির ঋণী হয়ে থাকবে !
