জামায়াত-এনসিপি মৈত্রীর ভবিষ্যৎ কোন পথে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৬৮টি আসন নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে বিরোধী দল হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি আসন নিয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে তৃতীয় বৃহৎ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

নানা হিসাবনিকাশ করে নির্বাচনি ঐক্যে যুক্ত হওয়ার পর এখন রাজনৈতিক ঐক্যের অংশীদার দেশের অন্যতম পুরোনো দল জামায়াতে ইসলামী এবং চব্বিশের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী আত্মপ্রকাশ হওয়া তরুণদের দল এনসিপি। জোটবদ্ধ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় সংসদে এবং রাজপথে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সম্পর্কে বেশ এগিয়ে চলেছে দল দুটি।

তবে তাদের সে মৈত্রীর ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে ঠেকবে, সে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ কৌতূহল রয়েছে। কারো কারো মতে, জামায়াত-এনসিপির বন্ধনে ফাটল ধরাতে ভেতর-বাইরে নানা তৎপরতা চলছে। বিশেষ করে বিএনপির একটি মহল থেকে এনসিপিকে কাছে টানার চেষ্টা চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। আবার অনেকের মতে, ধীরে ধীরে দল দুটির ঐক্য আরো মজবুত ও স্থায়ীত্বে রূপ নিতে যাচ্ছে। এনসিপি প্রধানকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ পদ দেওয়া, সংরক্ষিত নারী আসনে একটি আসন বেশি প্রদানসহ তাদের নানাভাবে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তার প্রমাণ দিচ্ছে জামায়াত।

যদিও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দলীয় ও রাজনৈতিক স্বার্থের হিসাবনিকাশের পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহলের তৎপরতার ওপর অনেকটা নির্ভর করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ ইতোমধ্যে সাবেক বিএনপি নেতাসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে আলোচিত ব্যক্তিদের এনসিপিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে এককভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠছে দলটি। আরো অনেকের যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে মাঠপর্যায়ে জামায়াত-এনসিপিতে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

জামায়াত-এনসিপি মৈত্রীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আমার দেশকে বলেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের মাধ্যমে। বর্তমানে সেটা সংসদে বিরোধীদলের শরিক হিসেবে বিস্তৃতি লাভ করেছে। আমাদের সঙ্গে তাদের জোটগত সম্পর্ক আগের চেয়ে আরো মজবুত হচ্ছে।’

একই ধরনের মন্তব্য করে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ এমপি বলেন, ‘এনসিপি মধ্যমধারার স্বতন্ত্র রাজনৈতি দল হিসেবে দ্রুত ডেভেলপ করতে চায়। এজন্য আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চলমান জোট আরো দৃঢ় হয়েছে বলে মনে করি। সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে একসঙ্গে কাজের মধ্য দিয়ে সেটারই বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির মতাদর্শ এবং বিভিন্ন বিষয়ে দলীয় অবস্থান উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভিন্নতা থাকলেও এক্ষেত্রে কোনো বিরোধ নেই।

সূত্রমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আটটি দল নিয়ে ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনের জোট গড়ে তোলে জামায়াতে ইসলামী। একপর্যায়ে নানা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ হওয়া ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে যুক্ত হয় এনসিপি ও এলডিপিসহ তিনটি দল। পরে ইসলামী আন্দোলন এ ঐক্য থেকে বের হয়ে যায় আর যুক্ত হয় বাংলাদেশ লেবার পার্টি। ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমেই আসন সমঝোতা করে অন্য শরিকদের মতো নির্বাচনে অংশ নেয় এনসিপি। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ছয়টি আসনে জয়ী হন তারা। অন্যদিকে জামায়াতের ৬৮ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়। পরে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যকে রাজনৈতিক ঐক্য, তথা ১১ দলীয় ঐক্যে রূপ পায়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ৭৭ জন সংসদ সদস্য নিয়ে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১১ দলীয় ঐক্য। এতে বিরোধীদলীয় নেতা হন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং চিফ হুইপ হন এনসিপি প্রধান নাহিদ ইসলাম। ইতোমধ্যে সংসদের চলমান প্রথম অধিবেশনে জামায়াত-এনসিপির এমপিরা সমন্বিতভাবে বিরোধী দলের আসনে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গড়ে ওঠা ১১ দলীয় ঐক্যের আন্দোলনেও মাঠে সরব রয়েছে দল দুটি। তাছাড়া সমঝোতার ভিত্তিতেই সংরক্ষিত নারী আসনে আনুপাতিকহারে এনসিপির একজন প্রার্থীর সঙ্গে আরো একটি আসন ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত। এতে দল দুটির মধ্যে জোটগত সম্পর্ক জোরদার ও স্থায়িত্ব বাড়ার পথ সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এ বিষয়ে জামায়াতের প্রশংসা করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু বলেছেন, ‘আমাকে মনোনীত করে জামায়াতে ইসলামী তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার ঠিক রেখেছে। জোটগতভাবে আমাদের প্রতিশ্রতি ছিল, দেশ-জাতির স্বার্থ ও জনকল্যাণে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। সে প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে জামায়াত।’ অথচ অনেক বড় বড় দল জোট করলেও তাদের শরিকদের সেভাবে সম্মান দেয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকার পাশাপাশি নিজেদের দলকে শক্তিশালী করার কাজ করছে এনসিপি। এরই অংশ হিসেবে বিএনপির বঞ্চিত ও সাবেক নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করছে দলটি। ইতিমধ্যে দুদফায় এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার, শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল ফ্লোরা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতা মহিউদ্দিন রনি, বাংলাদেশ জনতা পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান সোহেল এবং আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাতসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ৪৭ জন।

এনসিপিতে বিভিন্ন মহলের যোগদান প্রসঙ্গে দলটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব গতকাল রোববার আমার দেশকে বলেন, যোগদানের এ ধারাবাহিকতা চলবে। বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আরো যোগাযোগ চলছে। তবে এখন পর্যন্ত জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বিচার, সংস্কার ও আধিপত্যবাদবিরোধী যে ইস্যুতে আমরা ১১ দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়েছিলাম, তা এখনো প্রাসঙ্গিক আছে। যে কারণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ১১ দলের কর্মসূচি চলছে। তাই এ জোটের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আগের মতোই আছে।’

বিএনপির সঙ্গে এনসিপির নতুন কোনো সম্পর্ক সৃষ্টির উদ্যোগ বা সম্ভাবনা প্রসঙ্গে আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘সরকারি দলের সঙ্গে বিরোধী দল হিসেবে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক যে সম্পর্ক থাকে, আমাদের সেটাই আছে। তাদের সঙ্গে জোট করা বা আলাদা কোনো সম্পর্ক নেই।

বিএনপির মহল থেকে এনসিপিকে কাছে টানার বিভিন্ন প্রস্তাবের গুঞ্জন থাকলেও সেটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ এমপি । তিনি বলেন, ‘বিষয়টি বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার হলেও তার কোনো ভিত্তি আছে বলে জানি না।’

এদিকে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জামায়াত-এনসিপি জোটের মাঠপর্যায়ে কিছুটা জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ নির্বাচনের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের শরিকরা। ইতোমধ্যে ঢাকার দুটিসহ পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি। অন্য পদের জন্য তাদের প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণাসহ প্রায় জায়গায় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান দলটির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে এনসিপির পক্ষ থেকে ঢাকাসহ কয়েকটি মেয়র পদে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার আগ্রহ দেখানো হচ্ছে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচন জোটগতভাবে করার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন পর্যন্ত আলাদাভাবে করার প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত। তবে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোটগত সম্পর্ক খুব ভালো আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, স্থানীয় নির্বাচন কীভাবে হবে, সে বিষয়ে ১১ দলীয় ঐক্যে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে আমরা এখন পর্যন্ত এককভাবেই এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছি।

একই ধরনের মন্তব্য করে দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ এমপি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন করার জন্য এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র স্টাইলেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সবাই। এ নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির কোনো জটিলতা নেই বলে জানান তিনি।

জামায়াত জোটের সঙ্গে এনসিপির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, এনসিপি আগে বিএনপির সঙ্গে জোট করতে চাইলেও তারা রাজি হয়নি। পরে জামায়াতের সঙ্গে জোট করে। তবে আগের চেয়ে এনসিপির ‘বার্গেনিং পাওয়ার’ বেড়েছে। যে কারণে তাদের দলছুটরা যেমন ফিরে আসছে, তেমনি বিএনপির বঞ্চিতরাও এতে যোগ দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এনসিপি যদি দেশে দীর্ঘমেয়াদে রাজনীতি করতে চায়, তাহলে তাদের এমন কোনো দলের সঙ্গে যাওয়া উচিত নয়, যারা জুলাই সনদকে অস্বীকার করে। এজন্য তারা জামায়াতের সঙ্গেই জোটবদ্ধ থাকবে বলে মনে হচ্ছে।

জামায়াত-এনসিপি সম্পর্ক ও ১১ দলীয় ঐক্যের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অন্যতম শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘আমাদের সবার সম্পর্ক খুব ভালো আছে। সবাই নিজ নিজ দল শক্তিশালী করার চেষ্টা করলেও তাতে ১১ দলীয় ঐক্যে কোনো প্রভাব পড়বে না।’

বিএনপির সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান আমার দেশকে বলেন, ‘যেকোনো দলের সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক আলোচনা হতে পারে। তবে এ মুহূর্তে এনসিপির সঙ্গে কোনো কিছু হচ্ছে না। যদি এমন কিছু হয়, তাহলে আপনারা জানতে পারবেন।’

দলটির যুগ্ম মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্স আমার দেশকে বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে যেকোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপ হতে পারে। তার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনি সমাঝোতার কয়েকটি বৈঠক হয়। কিন্তু এনসিপি বিএনপির সঙ্গে না গিয়ে জামায়াতের সঙ্গে জোট করে। তাকেও আমরা সাধুবাদ জানিয়েছি। এখনো আগামী দিনে যেকোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সংলাপ হতে পারে। এনসিপির সঙ্গে জোট হবে কি নাÑসেটা আমার জানা নেই।’

এদিকে সম্প্রতি এনসিপিতে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতাদের যোগদান প্রসঙ্গে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে বিএনপির আর কিছু করার নেই। তারা যেকোনো দলে যোগ দিক বা না দিক, এটা আমাদের ভাবনার বিষয় নয়।’

একই ধরনের মন্তব্য করে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা নির্বাচন করেছেন, তারা তো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে হারানোর জন্য করেছেন। তাদের বিষয়ে বিএনপির কোনো মতামত নেই।