‘দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও’ নিয়ে মুখ খুললেন,
সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। বললেন—‘এটি ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার’
নিজস্ব প্রতিবেদক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিজের ও এক নারীর ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেওয়া নানা প্রচারণার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমের সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের। তিনি জানান, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগমের সম্মতিতে মরিয়ম বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যান। পরে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে তাদের জিম্মি করে এক লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় ব্যবহৃত ভাড়াকরা গাড়িটিও আটকে রেখে দফায় দফায় আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন এমপি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটানো হয়। পরবর্তীতে হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে ওবায়দুল্লাহ তাদের ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিডিওটিকে ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা’ হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ ঘটনায় সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য।
