জয়পুরহাটের কালাইয়ে এক ব্যবসায়ী ও তার সহকারীকে পথরোধের পর মারপিট করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হারুনকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে আহত ব্যবসায়ীর বাবা নুর আলম বাদি হয়ে বিএনপি নেতা হারুনসহ ৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার পর পুলিশ রাতেই মামলার প্রধান আসামি হারুনকে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
ওই ঘটনায় স্থানীয়রা আহত অবস্থায় ওই ব্যবসায়ী ও তার সহকারীকে উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। রাতেই চিকিৎসকরা তাদের অবস্থার বেগতিক বুঝে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে।
আহত ব্যবসায়ী নাজিমুদ্দিন উপজেলার বিয়ালা গ্রামের নুর আলমের ছেলে। তার সহকারী আব্দুল আলীম একই গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার আসামিরা হলেন, মাত্রাই ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও বিয়ালা গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে হারুন ও তার ভাই মামুনুর রশিদ, একই গ্রামের রেজাউল ইসলাম, জনাব আলী, রেজাউল করিম ও তোফায়েল আহম্মেদ।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, নাজিমুদ্দিন একজন আড়ৎ ব্যবসায়ী। গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিনভর তার সহকারী আব্দুল আলিমকে মোটরসাইকেলের পিছনে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গিয়ে টাকা কালেকশন করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মাত্রাই-বিয়ালা সড়ক হয়ে বকুল মোড় এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পথরোধ করে মোটরসাইকেল আটকিয়ে মারপিট করে ৮ লাখ ৫১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে ব্যবসায়ী নাজিমুদ্দিন ও আব্দুল আলীমকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
কালাই থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ওই ঘটনায় মামলার পর পরই হারুন নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
