শ্রীলঙ্কায় একটি ভারতীয় সামরিক হেলিকপ্টার ভুল স্থানে অবতরণ করে কাদায় আটকে পড়ে। হেলিকপ্টারটি উদ্ধার করতে সরাসরি কার্যকর ভূমিকা নেয় সামরিক বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ জনতা।ঠেলে উদ্ধার করা হয়, ভারতীয় সামরিক হেলিকপ্টার,তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটি একটি রুটিন টহল বা প্রশিক্ষণ অভিযান চলাকালীন উড়ছিল। তবে অবতরণের সময় ভুল স্থান নির্বাচন করায় এটি নরম ও কাদাযুক্ত এলাকার মধ্যে আটকে যায়। সঙ্গে থাকা ক্রু এবং বায়ুসেনার সদস্যরা নিরাপদে ছিলেন
ঘটনার পরপরই এলাকায় উপস্থিত স্থানীয়রা হেলিকপ্টারের পাশে এসে দাঁড়ায়। তাদের সাহায্যে এবং মান্যমান ঠেলাধাক্কার মাধ্যমে হেলিকপ্টারটি কাদা থেকে বের করা হয়। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় বায়ুসেনার টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিশ্চিত করে যে, হেলিকপ্টারটি পুনরায় নিরাপদ অবস্থায় আনা হয়েছে এবং কোনো গুরুতর যান্ত্রিক ক্ষতি হয়নি।
স্থানীয় বিমান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানান, এই ধরনের ঘটনা বিরল হলেও, প্রশিক্ষণ বা রুটিন টহল অভিযান চলাকালীন বিপদে পড়া হেলিকপ্টারকে দ্রুত নিরাপদে উদ্ধার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরও বলেন, স্থানীয় জনগণ এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে সাহায্য করেছে যা নজিরবিহীন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হেলিকপ্টারের অবতরণের ভুল স্থান নির্বাচন প্রাকৃতিক অবস্থার পাশাপাশি পাইলটের ভুল বা যোগাযোগের ঘাটতির ফল হতে পারে। তারা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে হিউম্যান ইন্টারভেনশন বা স্থানীয় সাহায্যের একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টারগুলি সাধারণত সীমান্ত পাহারা, উদ্ধার অভিযান এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়। সামরিক সূত্র জানিয়েছে, এই ধরনের ছোটোখাটো দুর্ঘটনা প্রায়শই প্রশিক্ষণ ও রুটিন কার্যক্রমের সময় ঘটে এবং তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
ঘটনার মাধ্যমে একবার আরও স্পষ্ট হলো, বড় সামরিক যানবাহনের নিরাপদ অবতরণ ও উদ্ধার প্রক্রিয়ায় স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে।
