যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় মারা গেছেন মোজতবা খামেনি?

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার পিতার জানাজায় রহস্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন। দেশটির সিনিয়র কর্মকর্তারা এবং লাখো মানুষ প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

আলী খামেনির অন্য তিন ছেলে- মাসউদ, মোস্তফা ও মেইসাম জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং বিপ্লবী গার্ডের প্রধান আহমাদ বাহিদিসহ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা অব্যাহত রয়েছে। এই গুজবও আছে যে, তার বাবাকে হত্যা করা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তিনিও নিহত হয়েছিলেন।

মার্চের শুরুতে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেখা যায়, তেহরানের বিশাল ধর্মীয় কমপ্লেক্স ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে রাখা কফিনগুলোর পাশে মোস্তফা, মেইসাম ও মাসউদ খামেনি জানাজার নামাজ আদায় করছেন।

খামেনি এবং তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সময় পরিচালিত এক বিমান হামলায় নিহত হন।

মোজতবার দেখা নেই কেনো?

২৮ ফেব্রুয়ারির সেই হামলায় আহত হওয়ার পর থেকে মোজতাবা খামেনিকে এখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি এবং তার কোনো নতুন ছবিও প্রকাশ করা হয়নি।

রয়টার্সকে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানায়, ওই হামলায় মোজতাবার মুখ বিকৃত হয়ে যায় এবং তার এক বা উভয় পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। 

এক শোকাহত নারী জানান, তিনি আশা করেছিলেন নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অন্তত জানাজার অনুষ্ঠানে দেখতে পাবেন।