সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩ মনোনয়ন দেবে জামায়াত

নির্বাচনে ৭৭টি আসনে জয় পাওয়ায় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩টিতে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে জামায়াত জোট। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, যোগ্যতার বিচারে শীর্ষ নেতার পরিবারের সদস্যরাও সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে পারেন। তবে জামায়াতের নারী নেত্রীরা বলছেন, পরিবারতন্ত্র পরিবর্তে গ্রহণযোগ্যতার বিচারেই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে দলের সংরক্ষিত নারী আসনে।

নির্বাচনে ৭৭টি আসনে জয় পাওয়ায় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩টিতে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে জামায়াত জোট। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, যোগ্যতার বিচারে শীর্ষ নেতার পরিবারের সদস্যরাও সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে পারেন। তবে জামায়াতের নারী নেত্রীরা বলছেন, পরিবারতন্ত্র পরিবর্তে গ্রহণযোগ্যতার বিচারেই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে দলের সংরক্ষিত নারী আসনে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট ঢাকার ৭ টি সহ সারাদেশ ৭৭ টি আসনে জয় পায়। গেজেট আকারে প্রকাশ পেয়েছে ২৯৬টি আসনের ফল। সে হিসাবে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোটের আর ১৩টি জামায়াতের।

সংরক্ষিত আসনে জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য নারী সংসদ সদস্য হিসেবে আলোচনায় আছেন—কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা। তিনি জানান, সংরক্ষিত আসনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষ নেতাদের পরিবারের সদস্যদের বিবেচনায় আসার সম্ভাবনা নেই। ইতোমধ্যে যেসব এলকায় এমপি নির্বাচিত হয়নি গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে সেখান থেকে বেশি নারী সদস্যের তালিকা দলের আমিরকে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন নুরুন্নিসা সিদ্দিকা।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের মনোনীত করার সম্ভাবনা কম। কারণ আমরা সাধারণত যোগ্যতা বিবেচনা করি এবং তার গ্রহণযোগ্যতা কতখানি সেগুলো বিবেচনা করি। এর পাশাপাশি যেসব এলাকায় ভাইয়ের আছেন, সে সমস্ত এলাকায় বোনদেরও দেওয়ার চেষ্টা করছি।

জামায়াত নেতারা বলছেন, দলীয় নীতি অনুযায়ী কেবল যোগ্যরাই সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত হবেন। যদি যোগ্যতা বিবেচনায় আমির কিংবা নায়েবে আমিরের পরিাবরের সদস্যরা এগিয়ে থাকেন, তাহলে তারাও হতে পারবেন সংসদ সদস্য।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দলের যে মানদণ্ড আছে প্রতিনিধিত্ব করার, সেটা থাকলে দলের মধ্য থেকে পরিবার থেকে আসবে। তবে এটা পরিবারের সদস্য হিসেবে নয়। এটা দলই ফয়সালা করবে।

জামায়াতের হিসাব অনুযায়ী, নারী-পুরুষ মিলিয়ে দলীয় কর্মী সংখ্যা ১ লাখের বেশি। এর মধ্যে নারী কর্মী ৪৩ শতাংশেরও বেশি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলের পক্ষে সরাসরি কোন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও, আগামী নির্বাচনে নারীবান্ধব পরিবেশ থাকলে, সরাসরি ভোটে নারীদের মনোনয়ন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির নারী নেত্রীরা।