কাতার বিশ্বকাপেই শতাব্দীর অন্যতম সেরা দুই ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর শেষ দেখে ফেলেছিলেন অনেকেই। মনে করেছিলেন, এবারই শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন তারা।
কিন্তু মাঠে থাকার নিবেদন, ফুটবলের প্রতি অনন্ত প্রেম এবং বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে পারফর্ম করার তীব্র জেদ তাদের আবার ফিরিয়ে এনেছে সবুজ ঘাসে। বুধবার সকালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলেছেন মেসি। বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী, রাতেই মাঠে নামলেন পর্তুগালের সুপারস্টার রোনালদো। সিআর সেভেনও খেলতে নেমেছেন নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ।
জাতীয় দলের হয়ে ২০০ ম্যাচে মেসি গোল করেছেন ১২০টি। রোনালদো আজ জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন ২২৯তম ম্যাচ। পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড গোল করেছেন ১৪৩টি।
ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ হওয়ার কীর্তি এরই মধ্যে গড়েছেন আরেক জন, মেক্সিকো গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া। তবে ২০০৬ ও ২০১০ আসরে স্কোয়াডে থাকলেও, মাঠে নামার সুযোগ হয়নি তার। চলতি আসরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও ৪০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের জায়গা হয় বেঞ্চে।
হিউস্টনে পর্তুগালের এই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো। আফ্রিকার দেশগুলো এরই মধ্যে বিশ্বকাপে দ্যুতি ছড়িয়েছে। মরক্কো, আইভরি কোস্ট, মিশর, কেপ ভার্দে নজর কেড়েছে। ডিআর কঙ্গো পর্তুগালকে চমকে দিতে পারে সেই ধারাবাহিকতাতেই। ১৯৭৪ সালের পর প্রথম ডিআর কঙ্গো বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে।
জানিয়ে রাখা ভালো, পর্তুগাল ও ডিআর কঙ্গো প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে। এর আগে কখনো কোনো আন্তর্জাতিক কিংবা প্রীতি ম্যাচেও তারা মুখোমুখি হয়নি।
এদিকে পর্তুগালের কোচ মার্তিনেজ জানিয়েছে, তার সঙ্গে পর্তুগালের চুক্তি বিশ্বকাপ পর্যন্ত। বিশ্বকাপের পর তিনি এই দায়িত্বে থাকবেন না।
পর্তুগাল খেলবে ৪-২-৩-১ ফরম্যাশনে। ডিআর কঙ্গো খেলবে ৫-৩-২ ফরম্যাশনে।
পর্তুগাল একাদশ: দিয়োগো কস্তা (গোলরক্ষক), তোমাস আরাউজো, রেনাতো ভেইগা, জোয়াও কান্সেলো, নুনো মেন্দেস, জোয়াও নেভেস, ভিটিনিয়া, বের্নার্দো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, পেদ্রো নেতো ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (অধিনায়ক)।
ডিআর কঙ্গো একাদশ: লিওনেল এমপাসি (গোলরক্ষক), অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, স্টিভ কাপুয়াদি, অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে, শ্যান্সেল মবেম্বা (অধিনায়ক), আর্থার মাসুয়াকু, নগালায়েল মুকাউ, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কায়েম্বে, ইয়োয়ানে উইসা ও সেড্রিক বাকাম্বু।
