দীর্ঘ দুই বছর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আবারও ভারতের পর্যটন ভিসা চালু হচ্ছে। আগামী ২৮ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভিসা কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে এবার ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের কাগজপত্র জমা দেওয়ার অন্তত একদিন আগে আইভ্যাক (ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার) থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনা—এই পাঁচটি কেন্দ্রে পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হবে।
আবেদনের প্রথম ধাপ হলো অনলাইনে ভিসা ফরম পূরণ। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ফরম পূরণ করে সেটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করতে হবে। এরপর আবেদনপত্রের পিডিএফ ফাইল আইভ্যাকের পোর্টালে আপলোড করে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। আপলোড করা ফাইলটি ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হলে বা সম্পাদিত হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
নিবন্ধনের সময় আবেদনপত্রে ব্যবহৃত ইমেইল ঠিকানা দিতে হবে। ইমেইল ও মোবাইলে পাঠানো পৃথক দুটি ওটিপি দিয়ে অ্যাকাউন্ট যাচাই করার পর সাইন-আপ সম্পন্ন হবে। পরে লগইন করে প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে হবে।
পেশার প্রমাণ হিসেবে চাকরিজীবীদের জন্য এনওসি বা কর্মস্থলের চিঠি, শিক্ষার্থীদের জন্য আইডি কার্ড এবং ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে প্রতি আবেদনের সঙ্গে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এনডোর্স বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি অথবা পর্যাপ্ত ব্যালেন্সসহ হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে। ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আবেদনকারীর মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে জানানো হবে এবং সেই অনুযায়ী আইভ্যাক থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
পেশার প্রমাণ হিসেবে চাকরিজীবীদের জন্য এনওসি বা কর্মস্থলের চিঠি, শিক্ষার্থীদের জন্য আইডি কার্ড এবং ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে প্রতি আবেদনের সঙ্গে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এনডোর্স বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি অথবা পর্যাপ্ত ব্যালেন্সসহ হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে। ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আবেদনকারীর মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে জানানো হবে এবং সেই অনুযায়ী আইভ্যাক থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
