মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে এটি নিকারের প্রথম সভা
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করা হলেও এর ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকছে। এ মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম (Ministry of Women and Children Affairs (MoWCA) অপরিবর্তিত থাকবে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন ও ভাতার সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় জমা দেবে বেতন কমিশন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের উপস্থিতে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সব সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করবেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তবে প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়ার আগে এর বিস্তারিত বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক প্রধান উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের সামনে তুলে ধরবেন বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।
সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, বেতন কমিশন গত ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন কাঠামো আংশিক বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনায় রয়েছে। আর পুরো কাঠামো কার্যকর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।
কত বাড়তে পারে বেতন
বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, যা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ ধাপে বর্তমানে ৭৮ হাজার টাকা বেতন থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও রয়েছে।
এদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বেতন ভাতা খাতে ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো আংশিক বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
বেতন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, নতুন বেতনকাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে অতিরিক্ত ৭০-৮০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় নিচের দিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে।
