সর্বমিত্রের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন ডাকসু জিএস

পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি।

জানতে চাইলে ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, ‘এ বিষয়ে অফিশিয়াল কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। তার কোনো পদত্যাগপত্র আমরা পাইনি।

আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ডাকসু ভবনে ‘ডাকসুর চার মাস : দায়িত্বগ্রহণ ও জবাবদিহি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে প্রতিনিধি সম্মেলন স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

এ সময় এস এম ফরহাদ বলেন, ‘সাধারণত পদত্যাগ সংক্রান্ত কোনো ইস্যু এলে সেটি লিখিত আকারে আমার কাছে আসার কথা। এখন পর্যন্ত আমি তেমন কিছু পাইনি।

এর বাইরে অন্য কোনো বক্তৃতা, কোনো পোস্ট কিংবা কোনো ফিডব্যাক আমার কাছে বিবেচনার বিষয় নয়।’
সর্বমিত্র চাকমার কর্মকাণ্ডের বৈধতা প্রসঙ্গে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদকের বিরুদ্ধে এবং অন্যান্য অন্যায়-অবিচারে আমরা স্ট্যান্ড নিই। কিন্তু আমরা বারবার দেখেছি, প্রশাসন আমাদের অসহযোগিতা করেছে; বরং বিপরীতভাবে বিরোধিতা করেছে, আমাদের কাজ বাস্তবায়ন করতে দেয়নি, প্রত্যেকটা কাজ আপনারা দেখেছেন। এমনকি ছোট ছোট সংস্কারের কাজ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রকল্প, প্রত্যেকটা কাজে একটা চক্র, একটা বিশেষ গ্রুপ—সেটা শিক্ষকদের এবং কর্মচারীদের, তারা যৌথভাবে এই কাজগুলো যাতে বাস্তবায়ন করতে না পারি, সে চেষ্টা করেছে।

সে জায়গায় আমাদের ডাকসুর নির্বাচিত সদস্যরা অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি, তার পরও কাজ জারি রেখেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কমন জায়গা ছিল—আমরা অ্যাডভোকেসি করি। যেমন মসজিদ সংস্কার; একটা গ্রুপ করতে চায়, তারা এসে করে দিচ্ছে, আমরা অ্যাক্সেস পয়েন্ট তৈরি করেছি। অথবা প্রশাসন বাস্তবায়ন করতে চায়, তারা সেটা করে। এর বাইরে আমরা সরাসরি কোনো কিছু করি না।

কোনো সদস্য করতে চাইলে তাকে আমরা বলি—এটা এভাবে না, বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে। কোথাও কোথাও শিক্ষার্থীদের প্রতি তাকিয়ে কোনো কোনো সদস্য, কোনো প্রতিনিধি যদি তাদের (প্রশাসন) সহযোগিতা না পেয়ে নিজে অ্যাকশনে নেমে যায়, সেটি যদিও শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে তিনি করে থাকেন, এটা কাম্য নয়। এভাবে করা উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনই, সংশ্লিষ্ট অথরিটিই সেগুলো নিশ্চিত করবেন।’