মুসলিমদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে গত ২১ মার্চ। এখন শুরু হয়েছে আরেক বড় উৎসব ঈদুল আজহার অপেক্ষা। মুসলিমদের কাছে এটি ‘কোরবানির ঈদ’ নামে পরিচিত। এই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, এবার ঈদকে কেন্দ্র করে টানা প্রায় ছয় দিনের দীর্ঘ ছুটি পেতে পারেন দেশটির বাসিন্দারা।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সরকারি ছুটিগুলোর একটি ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসছে। চলতি বছর এই ঈদকে কেন্দ্র করে আমিরাতের বাসিন্দারা দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।
ঈদুল আজহা ইসলাম ধর্মের দুটি প্রধান উৎসবের একটি এবং ঈদুল ফিতরের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব। এটি ইসলামি বর্ষপঞ্জির ১২তম তথা শেষ মাসে পালিত হয়। ‘ত্যাগের উৎসব’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আল্লাহর আদেশে নিজের সন্তানকে কোরবানি দেয়ার প্রস্তুতির স্মরণে পালিত হয়। দিনটি নামাজ, দান-সদকা এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে উদযাপন করা হয়।
ইরানের পক্ষে সুর নরম করে বার্তা দিলো আরব আমিরাত
ইরানের পক্ষে সুর নরম করে বার্তা দিলো আরব আমিরাত
৩ মার্চ ২০২৬
বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর আরব আমিরাতে ছুটি শুরু হতে পারে আগামী ২৬ মে (মঙ্গলবার) আরাফাত দিবস দিয়ে। এরপর ২৭ মে (বুধবার) ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে। ঈদের তৃতীয় দিন অর্থাৎ আগামী ২৯ মে (শুক্রবার) পর্যন্ত ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমিরাতে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে এই ছুটি টানা ছয় দিনে গড়াতে পারে। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। তবুও দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনায় আগাম ভ্রমণ পরিকল্পনা ও বুকিংয়ের চাহিদা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যদি জ্যোতির্বিদ্যার এ তথ্য সঠিক হয় তাহলে আগামী ২৬ মে (মঙ্গলবার) হবে আরাফাতের দিন। এটি পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এর পরের দিন ২৭ মে (বুধবার) পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। যেহেতু বাংলাদেশে মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ হয় সে হিসেবে বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ আগামী ২৮ মে ঈদ পালন করবেন। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।
প্রসঙ্গত, পবিত্র ঈদুল আজহাকে কোরবানির ঈদও বলা হয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিজ ছেলেকে কোরবানি করতে চেয়েছিলেন হযরত ইব্রাহিম (আঃ)। যা ছিল আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের একটি নির্দশন।
বিশ্বের সব সাধারণ মুসল্লি পশু জবাইয়ের মাধ্যমে কোরবানির ঈদ পালন করে থাকেন।
