বিএনপি নেতার পাম্প থেকে ৫০ হাজার লিটার পেট্রল গায়েব

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মো. আজিজুল হক নামে এক বিএনপি নেতার মালিকানাধীন ফিলিং স্টেশন থেকে প্রায় ৫০ হাজার লিটার পেট্রল গায়েব হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জলিল হেসেন রিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার রিফাত উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের হিম্মতনগর গ্রামের মো. উসমান গণির ছেলে। অপরদিকে আজিজুল হক উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এ তথ্য উঠে আসে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা মনির।

এদিকে মঙ্গলবার রাতেই ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারী আফসারুল ইসলাম বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় মামলা করেন।

ট্রাম্পকে সময়সীমা ২ সপ্তাহ বাড়ানোর অনুরোধ পাকিস্তানের

মামলা সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মঙ্গলবার নিরীক্ষা অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানতে পারেন, উপজেলার কলতাপাড়া বাজারে অবস্থিত মেসার্স সোয়াদ ফিলিং স্টেশন এ মাসের ১, ২ ও ৩ তারিখে ১৩ হাজার ৫০০ লিটার করে ৪০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল এবং ৬ ও ৭ এপ্রিল ৯ হাজার লিটার করে ১৮ হাজার লিটার পেট্রল বরাদ্দ পায়। এ ফিলিং স্টেশনে কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজার ডিপো থেকে সর্বমোট চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৫৮ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল দেওয়া হয়।

তবে ম্যানেজার মো. জলিল হোসেন রিফাত ভ্রাম্যমাণ আদালতকে নিশ্চিত করেন, ডিপো থেকে চলতি মাসে এ পর্যন্ত ৯ হাজার লিটার পেট্রল বিতরণ করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত নিশ্চিত হয়- ফিলিং স্টেশনটি অবৈধভাবে তেল ব্যবসা বা মজুতের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাফেজ মো. আজিজুল হক বলেন, ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারের কয়েক দিন হলো নিয়োগ হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় আমার ম্যানেজার সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি। যে পরিমাণ তেল পেয়েছি, তার সবটুকুই বিক্রি করেছি। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার ও ফিলিং স্টেশনের নামে মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে।

গৌরীপুর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জ্বালানি তেল মজুত ও কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।