আর্জেন্টিনা ফুটবলের অন্যতম এক নাম আনহেল দি মারিয়া। ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় তিনি ডান বা বাঁ প্রান্তে উইংগার হিসেবে খেলেছেন। বল ড্রিবলিং, গতি এবং নিখুঁত ক্রসে আক্রমণভাগে গোল তৈরির ক্ষেত্রে পটু। এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের মতো দর্শকও তাঁর শূন্যতা অনুভব করছে। কেউ কেউ দি মারিয়ার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে কমেন্টের ঘরে সে কথা লিখেও আসছেন। কোথায় আছেন মেসির সঙ্গে দারুণ ছন্দে গত বিশ্বকাপে মাঠ মাতানো এই তারকা?
১৯৮৮ সালে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম নেওয়া আনহেল দি মারিয়ার বর্তমান বয়স ৩৮ বছর। মাত্র চার বছর বয়সে এক চিকিৎসকের পরামর্শে দি মারিয়াকে ফুটবল খেলতে পাঠানো হয়। ঠিকই শুনছেন, কোচ নয়, চিকিৎসক। কারণ, দি মারিয়ার অতিরিক্ত দৌড়ানোর কারণে তাঁর মা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। আর সব শুনে চিকিৎসক বলেছিলেন, ‘কী করবেন মানে! ছেলেকে ফুটবল খেলতে দিন।’
১৯৮৮ সালে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম নেওয়া আনহেল দি মারিয়ার বর্তমান বয়স ৩৮ বছর। মাত্র চার বছর বয়সে এক চিকিৎসকের পরামর্শে দি মারিয়াকে ফুটবল খেলতে পাঠানো হয়। ঠিকই শুনছেন, কোচ নয়, চিকিৎসক। কারণ, দি মারিয়ার অতিরিক্ত দৌড়ানোর কারণে তাঁর মা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। আর সব শুনে চিকিৎসক বলেছিলেন, ‘কী করবেন মানে! ছেলেকে ফুটবল খেলতে দিন।’
এভাবেই শুরু। চার বছর বয়সে রোজারিও সেন্ট্রাল একাডেমিতে ভর্তি করা হয় দি মারিয়াকে। এই সময় একটা মরিচা ধরা, পুরোনো, হলুদ বাইসাইকেল চালিয়ে দি মারিয়ার মা তাঁকে নিয়ে যেতেন প্রাকটিসে। এই সময় হতাশ হয়ে দুইবার ফুটবল ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন দি মারিয়া। ১৩ বছর ক্লাবটির বয়সভিত্তিক ও যুবদলে খেলার পর ২০০৫ সালে মূল দলের হয়ে তাঁর অভিষেক হয়
এভাবেই শুরু। চার বছর বয়সে রোজারিও সেন্ট্রাল একাডেমিতে ভর্তি করা হয় দি মারিয়াকে। এই সময় একটা মরিচা ধরা, পুরোনো, হলুদ বাইসাইকেল চালিয়ে দি মারিয়ার মা তাঁকে নিয়ে যেতেন প্রাকটিসে। এই সময় হতাশ হয়ে দুইবার ফুটবল ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন দি মারিয়া। ১৩ বছর ক্লাবটির বয়সভিত্তিক ও যুবদলে খেলার পর ২০০৫ সালে মূল দলের হয়ে তাঁর অভিষেক হয়।
২০০৭ সালে ইউরোপে পাড়ি জমান দি মারিয়া। নাম লেখান পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকায়। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, পিএসজি, জুভেন্টাস, আবার বেনফিকার হয়ে খেলেছেন দীর্ঘদিন
২০০৭ সালে ইউরোপে পাড়ি জমান দি মারিয়া। নাম লেখান পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকায়। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, পিএসজি, জুভেন্টাস, আবার বেনফিকার হয়ে খেলেছেন দীর্ঘদিন।
২০০৮ সালে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে অভিষেক হয় দি মারিয়ার। দেশের হয়ে ১৪৫ ম্যাচে ৩১টি গোল করেন। এর বাইরে ১৪৫টি ম্যাচেই মাঠে দলের হয়ে তাঁর অবদান দর্শক ভালো করেই জানেন
২০০৮ সালে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে অভিষেক হয় দি মারিয়ার। দেশের হয়ে ১৪৫ ম্যাচে ৩১টি গোল করেন। এর বাইরে ১৪৫টি ম্যাচেই মাঠে দলের হয়ে তাঁর অবদান দর্শক ভালো করেই জানেন।
দেশের হয়ে তাঁর ঝুলিতে আছে অলিম্পিক ফুটবলের স্বর্ণপদক, কোপা আমেরিকা ফাইনাল, ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২, ফিনালিসিমা ও কোপা আমেরিকার শিরোপা। আর্জেন্টিনার হয়ে গোলের অনন্য কীর্তি গড়া দি মারিয়া জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়েছেন ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতার পর
দেশের হয়ে তাঁর ঝুলিতে আছে অলিম্পিক ফুটবলের স্বর্ণপদক, কোপা আমেরিকা ফাইনাল, ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২, ফিনালিসিমা ও কোপা আমেরিকার শিরোপা। আর্জেন্টিনার হয়ে গোলের অনন্য কীর্তি গড়া দি মারিয়া জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়েছেন ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতার পরছ।
সারা পৃথিবী ঘুরে ফুটবল খেলে, ইউরোপের ১৮ বছরের ক্যারিয়ার শেষে আবার ফিরে এসেছেন নিজের শহরে। জাতীয় দলকে গুডবাই জানালেও ২০২৫ সালে নিজ শহরের সেই শৈশবের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে খেলছেন দি মারিয়া
সারা পৃথিবী ঘুরে ফুটবল খেলে, ইউরোপের ১৮ বছরের ক্যারিয়ার শেষে আবার ফিরে এসেছেন নিজের শহরে। জাতীয় দলকে গুডবাই জানালেও ২০২৫ সালে নিজ শহরের সেই শৈশবের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে খেলছেন দি মারিয়াছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৭ / ১২
২০১১ সালে বান্ধবী জর্জেলিনা কারদোসোওকে বিয়ের পর নানা জায়গায় সংসার করেছেন তাঁরা।
২০১১ সালে বান্ধবী জর্জেলিনা কারদোসোওকে বিয়ের পর নানা জায়গায় সংসার করেছেন তাঁরা।
বিভিন্ন সময়ে পরিবার নিয়ে ঘোরাফেরার ছবি দেন দি মারিয়া। বিশ্বকাপের শুরুতেও তেমনটাই দেখা গেছে।
খেলাধুলার বাইরের সময়টা পরিবারের সঙ্গে কাটাতে ভালোবাসেন। বাইরে ঘোরা, রেস্তোরাঁয় খাওয়া আর পুলের পানিতে সাঁতার কাটতে দেখা যায় তাঁকে।
বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে কেমন কাটছে তাঁর দিন? মেসি যখন একটার পর একটা গোল করে চলেছেন, নিজের জন্য কি একটু মন খারাপ লাগছে দি মারিয়ার!
অবশ্য বিশ্বকাপ উপলক্ষে একটা খেলাধুলাবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের প্রচারণায় নিজের জার্সিতে স্বাক্ষর করতে দেখা গেছে দি মারিয়াকে। আর এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘সুযোগ পেলে মাঠে বসে দেশের ফুটবল বিশ্বকাপ উপভোগ করতে করব।’ আর তাই ভক্তরা আশা করতে পারেন, আর্জেন্টিনার পরবর্তী কোনো ম্যাচে দি মারিয়াকে গ্যালারিতে দেখা যেতেই পারে।
