ভারতের কর্ণাটকের রায়চুর জেলায় এক নারীকে পাথর দিয়ে মেরে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। পাথর মারার পর তার দেড় বছরের মেয়েকে নিথর দেহের ওপর রেখে যায় অভিযুক্তরা। শিশুটিকে পরে মায়ের শরীর আঁকড়ে ধরে কাঁদতে দেখা যায়।
স্থানীয়রা স্নেহার মরদেহ দেখতে পেয়ে সেখানে থাকা দেড় বছরের শিশুটিকে অসহায়ভাবে মায়ের শরীর আঁকড়ে ধরে কাঁদতে দেখেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময়ও স্নেহা শ্বাস নিচ্ছিলেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঘটনার খবর পেয়ে সিন্ধানুর গ্রামীণ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্নেহার সঙ্গে তার স্বামী অমিতের চার বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। গত চার মাস ধরে শুভম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল।
আপনার মতামত লিখুনঃ

