অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সাময়িকভাবে বাতিল হওয়া বাংলা এডিশনের নিবন্ধন পুনর্বহাল করেছে বর্তমান সরকার। ফলে, আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পেলো অনলাইন নিউজ পোর্টালটি।
২৩ আগস্ট তথ্য অধিদফতরের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলা এডিশনের নিবন্ধন বাতিল করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর, নিবন্ধন পুনর্বহালের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানায় বাংলা এডিশন কর্তৃপক্ষ। সেই আবেদনের পরই নিবন্ধন পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত জানানো হলো।
এর আগে, ১৬ জুলাই ২০২৫-এ, জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে বাংলা এডিশন। ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এলডিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
জন্মলগ্ন থেকেই জুলাইয়ের স্মৃতি, ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যু, মজলুম মানুষের অধিকার এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে বাংলা এডিশন।
একইভাবে, বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি রাজনীতি, সমাজ, আন্তর্জাতিক অঙ্গন এবং সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরাকে গুরুত্ব দিয়েছে পোর্টালটি।
তবে, যাত্রার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই আসে বড় ধাক্কা। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে সাময়িকভাবে বাতিল হয় বাংলা এডিশনের নিবন্ধন।
বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তে নিবন্ধন ফিরে পাওয়ায় আবারও সংবাদমাধ্যম হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পেলো বাংলা এডিশন।
নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার পর, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলা এডিশন কর্তৃপক্ষ। মজলুম মানুষের কথা বলা, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা এবং জনগণের কাছে সত্য তথ্য তুলে ধরাই থাকবে তাদের মূল লক্ষ্য।

