তরুণীকে আটকে রেখে ৭ দিন ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, অতঃপর…

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে ৭ দিন ধরে ভাড়া বাড়িতে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) ওই তরুণী বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি আলমগীর হোসেন, রুনা ও পাপীয়া।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা শান্তিনগর এলাকার মৃত শাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে ওই তরুণীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১৫ আগষ্ট ওই যুবতী বিয়ের প্রলোভনে রূপগঞ্জে আলমগীরের কাছে চলে আসে। আলমগীর ওই যুবতীকে নিয়ে বরপা শান্তিগর এলাকায় একটি রুম ভাড়া নেন। সেখানে আলমগীর হোসেন ও তার বন্ধু শাওন, শুভ, মোস্তফা, জীবনকে নিয়ে মাদক সেবক করে। গত ৭ দিন ধরে ওই যুবতীকে আলমগীর হোসেন ও তার বন্ধুরা ওই ভাড়া বাড়িতে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

কনের গায়ে হলুদ শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল বরের
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিষয়টি কাউকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে আলমগীর তাকে ভয়ভীতি দেখান। এ সময় আলমগীর দাবি করেন, তাদের কিছু হবে না। পরে ওই ভাড়া বাসার মালিক বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।

পরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আলমগীর, শাওন, শুভ, মোস্তফা, জীবন, রুনা ও পাপীয়াকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ‘গ’ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেদী ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Share post:

আরও খবর