চব্বিশের বিপ্লবের অন্যতম সহযোদ্ধা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নূরুল হক নূরসহ অর্ধ শতাধিক জুলাই যোদ্ধাদের ওপর ‘সামরিক মব’ হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জুলাইয়ের স্পিরিট ধারণ করা জুলাই ঐক্যের ১০১ সংগঠন।
২৯ আগস্ট (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরে অবস্থিত গণহত্যাকারী আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের যৌক্তিক দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছিল গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, ডাকসুর সাবেক ভিপি অন্যতম জুলাই যোদ্ধা নূরুল হক নূরসহ অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী। শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক এই প্রতিবাদে ন্যক্কারজনকভাবে হামলা চালায় ইউনিফর্ম পরা সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এই সামরিক মবে রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নূরসহ অনেকেই। জুলাই ঐক্য এবং সহযোগী ১০১ সংগঠন মনে করে গণ-অভ্যুত্থানের এক বছর পরেও জুলাই যোদ্ধাদের এভাবে রক্তাক্ত করা জুলাই স্পিরিটের সঙ্গে বেঈমানি। যারা জুলাইয়ের স্পিরিটের সঙ্গে বেঈমানি করবে তাদের অবস্থা খুনি হাসিনার মতোই হবে।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে বারবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংস্কারের দাবি করা হলেও তা করা হচ্ছে না। যার পরিণতি আজ জুলাইয়ের ছাত্রজনতাকে ভোগ করতে হচ্ছে।
ফ্যাসিবাদের পতনের পর এই হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। আমরা একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ প্রত্যাশা করি। জাতি যখন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এই ধরনের হামলা ফ্যাসিবাদের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।
অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িত সামরিক এবং আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিধানের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
যৌথ বিবৃতি দিয়েছে জুলাই ঐক্যের সহযোগী যেসব সংগঠন:
আপ বাংলাদেশ; ইনকিলাব মঞ্চ; জুলাই রেভলিউশনারি অ্যালায়েন্স; জুলাই রেভলিউশনারি জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স; পুনাব; পুশাব; নেক্সাস ডিফেন্স; সাধারণ আলেম সমাজ; জাগ্রত জুলাই; জুলাই মঞ্চ; বাংলাদেশ কওমি ছাত্রসংগঠন (কছাস); বৈষম্যবিরোধী কওমি ছাত্র আন্দোলন; জুলাই ছাত্র জনতা সংসদ; জুলাইয়ের সাংবাদিকরা; বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদ; জেন-জি স্টুডেন্ট ইউনিটি; জুলাই সাংস্কৃতিক সংসদ; সোশ্যাল সায়েন্স ক্লাব, ঢাকা কলেজ; রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ইসলামিক ইউনিভার্সিটি; সিসিএস (CCS)-জাতীয় ভোক্তা অধিকার; সোচ্চার স্টুডেন্টস নেটওয়ার্ক, ঢাবি; রাইজিং ইয়ুথ রামপুরা; পিপলস রিফর্ম অ্যালায়েন্স; বিআই (BI); নাপুস (NAPUS); একতার বাংলাদেশ; তরুণ; জুলাই বিপ্লবী যুব সংগঠন; ফরিদগঞ্জ লেখক ফোরাম; জুলাই চেতনা; জুলাই সংগ্রাম পরিষদ; গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলন; বিআইইডি স্পোর্টস ক্লাব; ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র জনতা মঞ্চ; কাজির খাল সুপার স্টার ক্লাব; সানরাইজ স্পোর্টিং ক্লাব; জুলাই রেভলিউশনারি ক্লাব; ছত্রিশ জুলাই ঐক্য পরিষদ; বাংলাদেশ সংস্কার আন্দোলন (বিএসএ); বাংলাদেশ সচেতন শিক্ষার্থী সমাজ; যাত্রাবাড়ী জুলাই ঐক্য পরিষদ; নিরাপদ বাংলাদেশ চাই; সোসাইটি ফর স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট; ইয়ুথ ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস; প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ইসলামিক সোসাইটি; হিউম্যান রাইটস সোসাইটি; পল্টন সাহিত্য ফোরাম; ইসলামিক কমিউনিটি বাংলাদেশ; দ্য স্কলারস ফাউন্ডেশন; সোসাইটি ফর স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট; জাগ্রহী; লুমিনাস সায়েন্স ক্লাব; ইয়ুথ ফর পিস (YFP); নেবুলা সোশ্যাল ক্লাব; ঢাকা কলেজ ইয়ুথ ক্লাব; স্কলারস ফাউন্ডেশন; জাতীয় অধিকার মঞ্চ; ইয়ুথ ক্লাব কদমতলী; জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ; শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন; সোশ্যাল রিফর্ম কমিটি; ঢাকা কলেজ ভলান্টিয়ার্স ফোরাম; পরিবেশ বিজ্ঞান ক্লাব; কালচারাল ক্লাব টিচার্স ট্রেনিং কলেজ; জুলাই মুক্তি মঞ্চ; জ্ঞান দীপ পাঠাগার; জেনন সায়েন্স ক্লাব; আলিয়া সাংস্কৃতিক সংসদ; লিগেসি অব জুলাই রিঅ্যালাইন মুভমেন্ট বাংলাদেশ; পরিবর্তন পরিষদ; বামনা আলোকিত সমাজ; ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি; বৈষম্যবিরোধী কওমি ছাত্র আন্দোলন; রেভলিউশন ইয়ুথ অ্যান্ড স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন; মুসো (MUSO); ফ্যাসিবাদমুক্ত গণমাধ্যম চাই; বাংলাদেশ রিপাবলিকান; নিরপেক্ষ; জাতীয় শ্রমিক ঐক্য; বিক্ষুব্ধ কবি ও লেখক সমাজ; ওয়াইবিজে (YBJ); স্কলারস; চেতনায় জুলাই; প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন; ঢাকা কলেজ প্রগতি; জুলাই সংগ্রাম পরিষদ; মুক্তির নিশান; অ্যান্টি ফ্যাসিস্ট কোয়ালিশন; জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন যাত্রাবাড়ী; বিজয় ইয়ুথ ফাউন্ডেশন; জুলাই গণহত্যা বিচার নিশ্চিত পরিষদ (জাবি); সংস্কার সংঘ; সংগ্রাম প্রতিদিন; হিউম্যান রাইটস স্টুডেন্ট নেটওয়ার্ক; আমাদের মোহাম্মদপুর; সুন্দর বাংলাদেশ; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিএড স্পোর্টস ক্লাব; প্রজন্ম ২৪ ও মঞ্চ ২৪; মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্র; মানবাধিকার ও জনকল্যাণ সংগঠন উত্তরবঙ্গ; এসো দেশ গড়ি।