গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ১৮ বছর বয়সী এক নববধূকে বাসর রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযাগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর ওই নববধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় স্বামী আশাদুল ইসলাম ওরফে আসিফ মিয়াসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গত ২৮ আগস্ট রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানের পাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ফাহাদ আল আসাদ বলেন, গত ২৯ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে ওই নারী আরও দুজন নারীর সঙ্গে হাসপাতালে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা নিতে আসা ওই নারীর শরীরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলে আসিফের সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রামের বাসিন্দা-ভুক্তভোগীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী আসিফ মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে যান। পরদিন রাতে ওই নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন।
স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, বুধবার শেষ রাতে বিয়ে বিদায় হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই মেয়ে। শুক্রবার দুপুরে ওই মেয়ে অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
সাঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আসিফ মিয়াসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রকৃত ঘটনা কি তা তদন্ত শেষে জানা যাবে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’