ধর্ষণের পর অভিযুক্তের বসতঘরে মাটিচাপা দেয়া হয় শিশু মরিয়মকে

জামালপুরের মাদারগঞ্জে ৭ বছরের শিশু মরিয়ম বুশরাকে ধর্ষণের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধর্ষণকারী তার বসত ঘরে গর্ত খুঁড়ে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখে। এ ঘটনায় আটক জামিনুর নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা এসব তথ্য জানান।

সহকারী পুলিশ সুপার জানান, বিদ্যালয়ের পাশেই অভিযুক্ত জামিনুরের বাড়ি। শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশে মাটিচাপা দেয়া হয়। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক জামিনুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিহত মরিয়ম স্থানীয় সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার তিনদিন পর পুলিশ শনিবার গভীর রাতে ধর্ষণকারীর বসত ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করেছ। এর আগে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী একই গ্রামের (চরলোটাবর) বাসিন্দা জামিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে মরিয়ম সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। ছুটির পর বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা তাকে খোঁজাখুজি শুরু করে। না পেয়ে ওই রাতেই মরিয়মের বাবা বাহাদুর মন্ডল মাদারগঞ্জ থানায় জিডি করেন। এদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত জামিনুরের বসত ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে।

মাদারগঞ্জ থানার ওসি স্নেহাশীষ রায় জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জামিনুর শিশু মরিয়মকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে পুলিশ ও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত জামিনুর ইসলামকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুনঃ

Share post:

আরও খবর