পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি সরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগষ্ট) স্থানীয় সময় সকাল ৭টার কিছু আগে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড সেন্টারের তৃতীয় তলায় আগুন লাগে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জিও টিভি জানিয়েছে, এ ঘটনায় ১৫টি শিশু মারা গেছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগে একটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।
তিনি দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, ত্রুটিপূর্ণ এয়ার কন্ডিশনারের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
পাকিস্তানে ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। দেশটিতে অনেক সময় নিরাপত্তা বিধি ও ভবন নির্মাণের নিয়ম ঠিকভাবে মানা হয় না।
হাসপাতালের এই আগুনকে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ হাসপাতাল অগ্নিকাণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে।
google newsকালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
Add as a preferred source on GoogleGoogle-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন
মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে ওষুধের নেশায় চীনের কিশোররা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫৭ | আপডেট: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০১
মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে ওষুধের নেশায় চীনের কিশোররা
ছবি : রয়টার্স
চীনে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষার ফল ও পারিবারিক সমস্যার কারণে অনেকেই এসব ওষুধ খেয়ে সাময়িক স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৪ বছর বয়সে জিয়াওমেই নামে এক কিশোরী অতিরিক্ত কাশির ওষুধ খাওয়া শুরু করে। পরে অনলাইন চ্যাট গ্রুপের মাধ্যমে সে আরো বিভিন্ন ওষুধের কথা জানতে পারে এবং সেগুলোও ব্যবহার করতে থাকে।
জিয়াওমেই জানায়, পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষায় খারাপ ফল কিংবা বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়ার সময় সে ওষুধ খেত। তার মতো আরো অনেক কিশোর-কিশোরী মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে ওষুধের ওপর নির্ভর করছে।
অনলাইন চ্যাট গ্রুপগুলোতে কেউ কেউ একে অন্যকে বিপজ্জনক ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শও দিচ্ছে। এমনকি ওষুধের জোগাড় ও প্রেসক্রিপশন জাল করার বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে।
চীনে বিষয়টি কতটা বড়, তার সঠিক সরকারি তথ্য নেই। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার কয়েকটি ওষুধের বিক্রি ও ব্যবহারে কঠোর নিয়ম করেছে। এরপরও অনলাইনে এসব ওষুধ বিক্রির প্রস্তাব পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ওষুধ বিক্রি বন্ধ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কিশোরদের মানসিক চাপ ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
সমাজবিজ্ঞানী শিয়াং বিয়াও বলেন, বাবা-মায়ের অতিরিক্ত প্রত্যাশা অনেক সময় কিশোরদের ওপর চাপ বাড়ায়। সন্তানদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা এবং তাদের মানসিক অবস্থার কথা শোনা জরুরি।
চীন সরকারও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। অনেক স্কুলে কাউন্সেলর রাখা হয়েছে এবং বড় শহরগুলোতে পাঠ্যক্রমে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। তবে শিশু-কিশোরদের মানসিক চিকিৎসকের সংখ্যা এখনো কম।
জিয়াওমেইর ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের সহযোগিতা পরিস্থিতি বদলে দেয়। অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পর তারা তাকে বকাঝকা না করে তার কথা শোনেন এবং পাশে থাকেন। এতে সে মানসিকভাবে শক্ত হয় এবং পরে ভর্তি পরীক্ষাতেও ভালো ফল করে।
২২ বছর বয়সী লু জিংচানও একসময় প্রেসক্রিপশনের ওষুধের নেশায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। এখন তিনি ওষুধ ছেড়ে অন্য তরুণদেরও এ ধরনের নেশা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।
ফ্রান্স
উচ্চ মাধ্যমিকে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত
ফ্রান্স থেকে তানভীর আহমদ তোহা
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১১:০৫ | আপডেট: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১১:১১
উচ্চ মাধ্যমিকে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত
সংগৃহীত ছবি
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ ফেরাতে ফ্রান্সের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই দেশটির সব লিসেতে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে যাচ্ছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সরকারের মুখপাত্র মড ব্রেজোঁ জানান, প্রথম দিন থেকেই নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়ানো, অতিরিক্ত ডিজিটাল ব্যবহার কমানো এবং পড়াশোনার পরিবেশ উন্নত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। স্কুল ও কলেজে আগে থেকেই চালু থাকা মোবাইল নিয়ন্ত্রণের নীতি এবার লিসেতেও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
আরো পড়ুন
একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফি যত
একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফি যত
নতুন আইনে শুধু মোবাইল ফোন নয়, অন্যান্য সংযুক্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা থাকছে। শিক্ষার্থীরা স্কুলে প্রবেশের পর ফোন আলাদা করে রাখবে—এ জন্য লকার, যৌথ সংগ্রহের বাক্স বা ব্যক্তিগত লকযোগ্য পাউচ ব্যবহারের মতো ব্যবস্থা নিতে পারবে প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে কোন পদ্ধতি কার্যকর হবে, তা প্রতিটি লিসে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিধিমালায় নির্ধারণ করবে।
গত ১৪ আগস্ট ফ্রান্সের সাংবিধানিক পরিষদ তরুণদের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত আইনের কয়েকটি ধারা বাতিল করলেও লিসেতে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের বিধান বহাল রাখে। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে আইনি বাধা নেই।
নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনসহ কিছু ব্যতিক্রম থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থাও রাখতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিধিমালায় প্রয়োজনীয় ব্যতিক্রম নির্ধারণ করতে পারবে।
শিক্ষামূলক প্রয়োজনে শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে ফোন ব্যবহারের সুযোগ রাখা যাবে। চিকিৎসাজনিত প্রয়োজন, বিশেষ স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং কিছু প্রশাসনিক বা শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কাজে ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে। নিয়ম ভাঙলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ফোন জব্দ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ফরাসি কর্তৃপক্ষের মতে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন শিক্ষাবর্ষে দেশটির লিসেগুলোতে এই নীতি কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
ফরাসি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সীরা দিনে গড়ে ৫ ঘণ্টা ১৯ মিনিট স্ক্রিনে সময় কাটায়। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে মনোযোগের ঘাটতি, ঘুমের সমস্যা ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষের উদ্বেগ রয়েছে। এ কারণেই স্কুল থেকে লিসে পর্যন্ত শিক্ষাজীবনে ফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন
কত সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানি করা যাবে?
কত সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানি করা যাবে?
ইরান ইস্যুতে ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও ৩ নাগরিকের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:২৮ | আপডেট: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩৬
ইরান ইস্যুতে ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও ৩ নাগরিকের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ছবি: রয়টার্স
ইরানের অর্থনীতি ও আয়ের উৎসে চাপ বাড়াতে ভারতভিত্তিক চারটি প্রতিষ্ঠান ও তিন ভারতীয় নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল খাত থেকে আয় কমিয়ে দেশটির অর্থনীতিকে চাপে রাখাই নতুন নিষেধাজ্ঞার অন্যতম লক্ষ্য।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ভারতভিত্তিক চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—পোরটিজ পার্টনার্স এলএলপি, সদাশিভা ওভারসিজ লিমিটেড, পিপি সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড এবং প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড।
এ ছাড়া তিন ভারতীয় নাগরিকের নামও তালিকায় রয়েছে। তারা হলেন হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গি, ইন্দ্রিসমিয়া আশরাফমিয়া শেখ ও প্রশান্ত গার্গ। হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গি ও ইন্দ্রিসমিয়া আশরাফমিয়া শেখ পোরটিজ পার্টনার্সের অংশীদার। প্রশান্ত গার্গ পিপি সফটটেকের সঙ্গে যুক্ত।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, পোরটিজ পার্টনার্স কাস্টমস ব্রোকার হিসেবে ইরান থেকে ভারতে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য আমদানিতে সহায়তা করেছে।
সদাশিভা ওভারসিজের বিরুদ্ধে ইরানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে পিপি সফটটেক ও প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্সের বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই কোটি ডলার করে ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জেনে-শুনে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, পরিবহন ও বিক্রির মতো উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক লেনদেনে জড়িত ছিল।
শুধু ভারতভিত্তিক এসব প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক নয়, সোমবার ইরান-সংশ্লিষ্ট মোট ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।
ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের সামরিক কার্যক্রম ও অস্ত্র সংগ্রহে অর্থের জোগান বন্ধ করা এবং দেশটির পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল খাত থেকে আয় কমানোই এসব নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য।
ইরানের অর্থনীতিকে আরো দুর্বল করতে দেশটির সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোকেও সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে সংশ্লিষ্ট দেশ ও প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।
তবে এসব সতর্কতার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি কূটনৈতিক মিশনে আবার কর্মী পাঠাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এ পদক্ষেপ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, স্বল্পমেয়াদে ইরানের সঙ্গে সংঘাত আরো বাড়ার ঝুঁকি কিছুটা কমেছে। তবে কয়েকটি মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশন শুরুতে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
একদিকে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা—দুই দিকেই এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।
অপ্রাপ্তবয়স্কদের তথ্য অরক্ষিত রাখার অভিযোগে টিকটককে জরিমানা করল ব্রাজিল
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:১৬ | আপডেট: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:২৩
অপ্রাপ্তবয়স্কদের তথ্য অরক্ষিত রাখার অভিযোগে টিকটককে জরিমানা করল ব্রাজিল
ছবি : রয়টার্স
কিশোর-কিশোরীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় চরম ব্যর্থতা ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে টিকটকের মালিক বাইটড্যান্সকে ১৫৩.৮ মিলিয়ন রিয়াল (প্রায় ২ কোটি ৯৮ লাখ মার্কিন ডলার) জরিমানা করেছে ব্রাজিলের ডেটা সুরক্ষাবিষয়ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা এএনপিডি। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ব্রাজিলের সরকারি গেজেটে এই জরিমানার নির্দেশ সংক্রান্ত একটি সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়।
এএনপিডি জানায়, কোনো বৈধ আইনি ভিত্তি ছাড়াই ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রক্রিয়াজাত করেছে টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স। ব্রাজিলে প্ল্যাটফর্মটির বয়স-যাচাইকরণ ব্যবস্থায় তীব্র ত্রুটি থাকার কারণে পর্যালোচনাধীন সময়ে অন্তত ৮০ লাখ অপ্রাপ্তবয়স্কের ব্যক্তিগত তথ্য অরক্ষিতভাবে সংগ্রহের আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।
নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বিশেষ করে টিকটকের লগ-আউট ফিড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যার মাধ্যমে ব্রাজিলে অ্যাকাউন্ট ছাড়াই কিশোর-কিশোরীরা সরাসরি টিকটক ব্রাউজ করতে পারছে। অথচ ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো অঞ্চলগুলোতে নিবন্ধিত ব্যবহারকারী ছাড়া এভাবে ব্যবহার করার সুযোগ নেই।
ব্রাজিলের তথ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পিতা-মাতা বা অভিভাবকের সম্মতি ও যাচাইকরণের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে

